Header Ads

ইংল্যান্ডে গিয়ে অ্যাশেজ দেখার স্বপ্ন কী ভাবে সফল করল ১২ বছরের ছেলে

Max Waight প্রতিবেশিদের বাড়ির কাজ করে ইংল্যান্ডে অ্যাশেজ দেখতে যাওয়ার টাকা জমিয়েছে গত চার বছর ধরে।


ক্রিকেট দুনিয়ার সব থেকে বড় লড়াইয়ের অন্যতম England ও Australia -র মধ্যে Ashes। সে দুই দেশের হোক বা দুই দলের ক্রিকেটারদের। অ্যাশেজ ঘিরে টানটান উত্তেজনা চলতে থাকে। কিন্তু সবাইকে ছাপিয়ে গেলেন অস্ট্রেলিয়ার এক ১২ বছরের ক্রিকেটপ্রেমী। ক্রিকেট ডট কম ডট এইউ-এর খবর অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার সাউথ কোস্টের এক খুদে ক্রিকেটপ্রেমী অ্যাশেজ দেখার জন্য কী করলেন। ১২ বছরের ম্যাচ ওয়েট ইংল্যান্ডে গিয়ে অ্যাশেজ দেখতে চান। কিন্তু টাকা কোথা থেকে আসবে? আর সে কারণেই সে সপ্তাহান্তে প্রতিবেশিদের বাড়ির আবর্জনা বয়েছে গত চার বছর ধরে। এবং প্রতি বাড়ি থেকে পেয়েছে এক ডলার করে। আর সেটাই জমিয়েছে ইউকেতে গিয়ে অ্যাশেজ দেখার জন্য।
ক্রিকেট ডট কম ও এইউ-র খবর অনুযায়ী, ২০১৫তে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয় দেখার পরই ম্যাক্সের মাথায় প্রথম অ্যাশেজ দেখার ইচ্ছে তৈরি হয়। বাবাকে সে কথা জানাতে তার বাবা ড্যামি বলেন, তাঁর জন্য ১৫০০ অস্ট্রেলিয়ার ডলার লাগবে।

Ricky Ponting স্টিভ স্মিথকে ‘জিনিয়াস' বলে ব্যাখ্যা করলেন

ম্যাক্স তখন থেকেই কাজ শুরু করে দেয় প্রতিবেশিদের বাড়িতে। চার বছর ধরে এই কাজ করেছে এই ছেলে। পারেনি যখন ক্যাম্পে থেকে অথবা অসুস্থ হয়েছে। শুধু যে প্রয়োজনীয় টাকাই তুলতে পেরেছে ম্যাক্স তা নয় প্রয়োজনের বেশিই সে তুলেছে। ম্যাক্সের বাবাও কথা রেখেছেন এবং ম্যাক্স ও গোটা পরিবারকে নিয়ে ইউকে উড়ে গিয়েছে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে চতুর্থ অ্যাশেজ দেখতে।

ম্যাক্সের বাবা ড্যামি ওয়েট ক্রিকেট ডট কমকে বলেন, ‘‘আমি যখন বলেছিলাম, আমাকে সেটা রাখতেই হতো। ও টাকা জমানোর পর ওর ইচ্ছেকে অসম্মান করতে পারতাম না। যখন শুরু হয়েছিল তখন মনে হয়নি সম্ভব হবে কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভাল বিষয় হল আমরা এখানে।''

এর সঙ্গে তিনি জুড়ে দেন, ‘‘এটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা, আমরা পুরো পরিবার ও আমাদের কাছের মানুষদের সঙ্গে একটা দারুণ সুযোগ পেলাম এবং অনেক ভাল স্মৃতি তৈরি হল।''

Ashes 2019: বাকিদের থেকে কোথায় আলাদা স্টিভ স্মিথ, ব্যাখ্যা করলেন শচীন তেন্ডুলকর

ম্যাক্সের স্বপ্ন যদিও এখানে শেষ হচ্ছে না। চতুর্থ অ্যাশেজে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ১২ বছরের এই ছেলে সুযোগ পেলেন তাঁর স্বপ্নের ক্রিকেটারদের সঙ্গে সময় কাটনোর। ম্যাক্স এবং তার দুই ভাই টিমন বাসে করে ওল্ড ট্রাফোর্ডে গেলেন। অস্ট্রেলিয়া কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের সঙ্গে ছবিও তুলল পাশে বসে। ম্যাক্স বলে, ‘‘আমি স্টিভ ওয়া, জাস্টিন ল্যাঙ্গার ও নাথান লিয়ঁর পাশে বসেছিলাম। জাস্টিন লাঙ্গার আমাকে প্ল্যানবুক দেখিয়েছে যেটা অসাধারণ, যেখানে তাঁর সব নোট রাখা ছিল।  স্টিভ ওয়ার সঙ্গে কথা বলেও দারুণ লেগেছে।''

ম্যাক্স এর সঙ্গে জুড়ে দেন, ‘‘স্টিভ স্মিথ আর প্যাট কামিন্স আমার প্রিয় ক্রিকেটার। আমি ওদের সঙ্গে কথা বললাম ওদের প্রস্তুতি নিয়ে। দারুণ উপভোগ করেছিল।'' চতুর্থ টেস্টের দ্বিতীয় দিন ম্যাক্সকে সব প্লেয়ারদের সই করা অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট জার্সি তুলে দেওয়া হয়।''

 

No comments

Powered by Blogger.